ব্যাংককে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল শেখ রাসেল এঁর ৫৯তম জন্মবার্ষিকী

ব্যাংকক, ১৮ অক্টোবর ২০২২

বাংলাদেশ দূতাবাস, ব্যাংকক আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এঁর ৫৯তম জন্মবার্ষিকী পালন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মোঃ আব্দুল হাই শেখ রাসেল এঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্য ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম)  জনাব মোঃ ফাহাদ পারভেজ বসুনীয়া। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে দূতাবাসের মিনিস্টার (রাজনৈতিক) ও মিশন উপ-প্রধান মিজ্ মালেকা পারভীন, এনডিসি ও মিনিস্টার (কনস্যুলার) জনাব আহমেদ তারিক সুমীন। অনুষ্ঠানে শেখ রাসেল এঁর উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ ও এশিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি)-তে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা পর্বে আগত অতিথিবৃন্দ শেখ রাসেল এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনের ওপর আলোকপাত করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মো: আব্দুল হাই তাঁর বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যই সাধারণ জীবন যাপন করতেন এবং শেখ রাসেল এঁর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে হলেও রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ছাড়া তিনি সাধারণ ছাত্রের মতই স্কুলে যেতেন। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, শেখ রাসেল এঁর মতো নিষ্পাপ শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাকর। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এ ধরনের নির্মম হত্যাকান্ড শুধু বাঙালির ইতিহাসে নয়, বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। শেখ রাসেলের মতো কোন শিশুই যেন আর কখনো নির্মমতার শিকার না হয়; বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে শিশুরা যেন নিরাপদে থাকে। বিশ্বের প্রতিটি শিশুর জন্য এ পৃথিবী নির্মল আবাসস্থল হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) জনাব নির্ঝর অধিকারী।