ব্যাংককে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালন

বাংলাদেশ দূতাবাস ব্যাংককের উদ্যোগে আজ ৮ই আগস্ট ২০২১ অপরাহ্নে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতার সহধর্মিনী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালন হয়। থাইল্যান্ডে বিশেষত ব্যাংককে করোনা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতির প্রেক্ষাপটে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত বিধিবিধানের আলোকে জুম প্লাটফর্মে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মো: আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।  জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারবর্গের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গমাতার ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর প্রেরিত বাণীসমূহ পাঠ করে শোনান দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ। অত:পর বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কর্মময় জীবনের উপর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মো: আব্দুল হাই তাঁর বক্তব্যে বঙ্গমাতার জ্ন্মবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য “বঙ্গমাতা সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী” এর উপর আলোকপাত করেন। তিনি বঙ্গমাতার অসীম ধৈর্য্য, ত্যাগ-তিতিক্ষার বর্ণনা দিয়ে তাঁর জীবনাদর্শ কে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বিশেষ অনুকরণীয় হিসাবে অভিহিত করেন। সাধারণ আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন দূতাবাসের মিনিস্টার কন্সুলার জনাব আহমেদ তারিক সুমিন। তিনি একজন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর সাধারণ জীবন যাপনের অনন্য দৃষ্টান্তের কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারবর্গের জীবনাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জীবন গঠনের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।